মূল অংশে যান

রোমান ব্লাইন্ডস

ভাঁজ হয়ে ওঠা নরম কাপড়। পর্দার উষ্ণতা, ব্লাইন্ডের জায়গায়।

শোবার ঘরবসার ঘর

রোমান ব্লাইন্ডস

রোমান ব্লাইন্ড হলো সমতল একটি কাপড়ের প্যানেল, যা উপরে ওঠার সময় গভীর আড়াআড়ি ভাঁজে গুটিয়ে যায়, আর নামানো থাকলে একদম সমান হয়ে ঝোলে। এ কারণেই এটি জানালার যন্ত্রপাতি নয়, বরং ঘরের নরম সাজসজ্জার অংশ মনে হয় — পর্দার সবচেয়ে কাছাকাছি ব্লাইন্ড, অথচ জানালার দুই পাশে কাপড়ের স্তূপ নেই এবং মেঝে ছোঁয়া ধুলো জমা প্রান্তও নেই।

শোবার ঘর বা বসার ঘরে, যেখানে কাপড়টাই সাজের অংশ, সেখানে এটি মানায়; আর বন্ধ অবস্থায় প্যানেল সমান ও অখণ্ড থাকে বলে ছাপা নকশা এতে সুন্দর ফোটে। রোলারের চেয়ে বেশি গভীরতা লাগে, কারণ ভাঁজগুলো উপরে জমা হয় — তাই কম গভীর জানালার জন্য বেছে নেওয়ার আগে রিভিল মেপে দেখুন। এখানকার প্রতিটি কাপড়েই ব্ল্যাকআউট লাইনিং যোগ করা যায়।

সাধারণ প্রশ্ন

রোমান ব্লাইন্ডের জন্য উপরে কতটা জায়গা লাগে?
রোলারের চেয়ে বেশি, কারণ কাপড় টিউবে জড়ায় না, ভাঁজ হয়ে জমা হয়। উঁচু জানালায় পুরো ওঠানো অবস্থায় ভাঁজের স্তূপ এক হাতের তালুর সমান গভীর হতে পারে, আর ফ্রেমের উপরে না লাগালে সেই স্তূপ কাচের উপরের অংশ ঢেকে রাখে। রিভিল কম গভীর হলে ফ্রেমের বাইরে লাগান, নয়তো হানিকম্ব ব্লাইন্ড নিন — সেটি অনেক পাতলা হয়ে ভাঁজ হয়।
ঢাকার কড়া রোদে কাপড়ের রং কি জ্বলে যাবে?
সরাসরি রোদে সব কাপড়েরই রং একসময় হালকা হয়; প্রশ্ন হলো কত দ্রুত ও কতটা সমানভাবে। সলিউশন-ডাইড পলিয়েস্টার ও সানস্ক্রিন মেশ প্রিন্টেড সুতির মতো কাপড়ের চেয়ে অনেক ভালো রং ধরে রাখে, আর গাঢ় নেভি বা কালোর চেয়ে মাঝারি শেডে রং জ্বলা কম চোখে পড়ে। ঢাকার ফ্ল্যাটে পশ্চিম বা দক্ষিণ-পশ্চিম জানালাই সবচেয়ে কঠিন জায়গা; সেখানে হলে মাঝারি হালকা শেড বেছে নিন — কয়েক বছরে রং সামান্য নরম হবে, তবে ছোপ ছোপ হয়ে যাবে না।
ব্ল্যাকআউট ব্লাইন্ডের কিনারা দিয়ে আলো আসছে কেন?
কারণ "ব্ল্যাকআউট" কথাটি কাপড়ের বৈশিষ্ট্য, লাগানোর পদ্ধতির নয়। কাপড় দিয়ে কোনো আলো ঢোকে না, কিন্তু জানালার ভেতরে লাগানো ব্লাইন্ড চলার জন্য খোলার চেয়ে কয়েক মিলিমিটার সরু করে কাটতে হয়, আর ওই ফাঁক দিয়েই আলো আসে। পুরো অন্ধকার চাইলে ফ্রেমের বাইরে লাগাতে হবে — দুই পাশে দুই থেকে তিন ইঞ্চি বেশি এবং সিলের নিচে বাড়তি ঝুল রেখে। মাপ নেওয়ার আগেই বলে দিলে আমরা শুরু থেকেই সেভাবে মাপ নেব।
অর্ডার থেকে ইনস্টলেশন পর্যন্ত কত সময় লাগে?
সাধারণ ব্লাইন্ডে তিন দিন, মোটরাইজড হলে পাঁচ দিন — অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার দিন থেকে লাগানোর দিন পর্যন্ত। ঢাকায় স্টকে থাকা কাপড়ের জন্য এটিই স্বাভাবিক সময়; বাইরে থেকে আনতে হয় এমন রং বা খুব বড় মাপের অর্ডারে কিছু সময় বেশি লাগতে পারে, আর সেটি আমরা অর্ডারের সময়েই জানিয়ে দিই, পরে নয়।
কলহোয়াটসঅ্যাপকোটেশন
রোমান ব্লাইন্ডস ঢাকায় — 4 ডিজাইন, কাস্টম সাইজ | কেবি উইন্ডো ফ্যাশনস